চট্টগ্রামে ১২ই মে গভীর রাতে সাগরিকা ফ্লাইওভার থেকে উদ্ধার করা হয় কায়সার আহমেদের ঝুলন্ত মরদেহ। তখন থেকেই ফেসবুকে রীতিমত ঝড় দেখা যায় কায়সার আহমেদ-কে ছাত্রলীগ নেতা বলে সম্বোধন করে।
গুজব ?
১২ মে রাত থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা হয় কায়সার আহমেদ-কে নিয়ে। নিহত কায়সার-কে আকবর শাহ থানা ছাত্রলীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক দাবি করা হলেও এর কোনো সত্যতা পুলিশ পায়নি। তাছাড়া তার পরিচিত মানুষদের থেকে শোনা যায়, কায়সার জুলাই আন্দোলনেও অংশগ্রহণ করেন।
সিসিটিভি ফুটেজ
ঘটনাস্থল হতে খানিকটা দূরে এক যুবক-কে হাঁটাহাটি করতে দেখা যায়। তার ৩-৪ মিনিট পর রেলিং- এর পাশে তিনি বসে পরেন। তারপর থেকেই ক্যামেরা থেকে তাকে আর দেখা যায়না। ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা, তবে এখনো কিছু জানানো হয়নি।