BanglaSentryবাংলাদেশ সংবাদমাধ্যম
সব
সারা দেশ
রাজনীতি
আন্তর্জাতিক
বাণিজ্য
প্রবাস
খেলাধুলা
বিনোদন
প্রযুক্তি
পরিবেশ
অপরাধ
শিক্ষা
স্বাস্থ্য
কৃষি
বিশ্লেষণ
মতামত
বাংলার গল্প
জ্ঞানকোষ
আইন ও আদালত
লাইফস্টাইল
ক্যারিয়ার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
ধর্ম
সেন্ট্রি স্পেশাল
অন্যান্য
হোম/সারা দেশ/ভালুকায় পোশাকশ্রমিকের আঙুর...
সারা দেশ

ভালুকায় পোশাকশ্রমিকের আঙুর বিপ্লব: ২০ জাতের বিদেশি ফলে বাজিমাত মোকছেদুলের

100%

ভালুকায় পোশাকশ্রমিকের আঙুর বিপ্লব: ২০ জাতের বিদেশি ফলে বাজিমাত মোকছেদুলের

পড়াশোনার পাশাপাশি পোশাক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করে জমানো টাকায় অসাধ্য সাধন করেছেন ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার তরুণ মোকছেদুল ইসলাম। শখের বসে শুরু করা আঙুর চাষ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক বাগানে রূপ নিয়েছে। উপজেলার মল্লিকবাড়ি গ্রামে মোকছেদুলের এই বাগানে এখন থোকায় থোকায় ঝুলছে ভ্যালেজ, ডিক্সন, গ্রিন লং এবং ব্লাক রুবিসহ অন্তত ২০টি বিদেশি জাতের টসটসে মিষ্টি আঙুর। ইউটিউব এবং ফেসবুকের ভিডিও দেখে শেখা প্রযুক্তিতে এই অভাবনীয় সাফল্য দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন উৎসুক মানুষ ও স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা।

মোকছেদুল ইসলাম এ বছর কামিল পরীক্ষা দিয়েছেন। বাবা খুরশেদ আলম স্থানীয় মসজিদের ইমাম। আর্থিক টানাপোড়েনের মাঝেও ২০২২ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত একটি গার্মেন্টসে শ্রমিকের কাজ করে বাগান করার খরচ জুগিয়েছেন তিনি। নিজের বাড়ির পেছনের ১৪ শতক জমিতে ১৮০টি চারা নিয়ে শুরু করা এই বাগানে এ বছরই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে ফলন এসেছে। মোকছেদুল জানান, প্রথমদিকে মানুষের মুখে শুনতেন বাংলাদেশে আঙুর টক হয়, কিন্তু সঠিক জাত নির্বাচন এবং উন্নত পরিচর্যার মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন যে এ দেশের মাটিতেও মিষ্টি আঙুর উৎপাদন সম্ভব।

বাগান ঘুরে দেখা গেছে, সবুজের মাঝে কালো এবং লালচে রঙের আঙুরগুলো কেবল দেখতেই সুন্দর নয়, স্বাদেও অত্যন্ত মিষ্টি। মোকছেদুল বিদেশি বাগানিদের ভিডিও দেখে নিজে চারা তৈরির কৌশল আয়ত্ত করেছেন এবং এখন প্রতিটি চারা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি করছেন। তিনি আশা করছেন, এ বছর বাগানের আঙুর বিক্রি করেই তিনি দেড় লাখ টাকার বেশি আয় করতে পারবেন। তবে খোলা আকাশের নিচে চাষ করায় বৃষ্টিতে ফল পচনের কিছুটা ঝুঁকি থাকে বলে জানান এই উদ্যোক্তা। পলি নেট বা শেড পদ্ধতি ব্যবহার করলে এই ঝুঁকি কমিয়ে বাণিজ্যিকভাবে বিদেশেও আঙুর রপ্তানি করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

স্থানীয় কৃষি বিভাগ মোকছেদুলের এই উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. রাশেদুজ্জামান জানান, মোকছেদুলের আঙুর বাগান একটি সম্ভাবনাময় দৃষ্টান্ত। দেশীয়ভাবে মিষ্টি আঙুর উৎপাদন করা গেলে বিদেশ থেকে আমদানিনির্ভরতা কমবে এবং বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। কৃষি বিভাগ থেকে তাকে নিয়মিত কারিগরি পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। ভালুকার মাটি ফল চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় আগামীতে এই অঞ্চলে আঙুর চাষ আরও ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগ:আঙুর চাষ ভালুকা ২০২৬মোকছেদুল ইসলাম আঙুর বাগানময়মনসিংহে আঙুর চাষবিদেশি ফলের বাগানপোশাকশ্রমিকের সাফল্যলাভজনক কৃষি প্রযুক্তি
লিংক কপি হয়েছে!

ফটোকার্ড তৈরি করুন

বাংলাসেন্ট্রি

Preview
এই ছবিতে CORS সীমাবদ্ধতা থাকায় ডাউনলোডকৃত ফটোকার্ডে ছবি দেখা নাও যেতে পারে। ম্যানুয়ালি ছবি আপলোড করুন অথবা স্ক্রিনশট নিন।

BanglaSentryবাংলাদেশ সংবাদমাধ্যম
হোমঅনুসন্ধানআমাদের টিমকমিউনিটিনোটিফিকেশনঅ্যাকাউন্টআমাদের সম্পর্কেযোগাযোগগোপনীয়তা নীতিসেবার শর্তাবলী
ফেসবুকটেলিগ্রাম
বাংলা English العربية