আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি
- চাকরি পুনর্বহাল: ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর চাকরিচ্যুত হওয়া সকল কর্মকর্তার অবিলম্বে চাকরিতে যোগদান।
- মালিকানা ফেরত: ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ও মালিকানা পুনরায় সাবেক মালিক এস আলম গ্রুপের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া।
- পর্ষদ বাতিল: বর্তমান পরিচালনা পর্ষদকে 'অবৈধ' ঘোষণা করে তা দ্রুত ভেঙে দেওয়া।
"আমাদের কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই গণহারে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে পাস হওয়া 'ব্যাংক রেজল্যুশন অ্যাক্ট ২০২৬'-এর মাধ্যমে আমাদের অধিকার ফিরে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।" - আন্দোলনকারী সমন্বয়ক
ঘটনার বর্তমান পরিস্থিতি
- উপস্থিতি: গত দুদিন ধরে চট্টগ্রামের পটিয়াসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েক হাজার মানুষ শতাধিক মাইক্রোবাসে করে ঢাকায় জড়ো হয়েছেন।
- আইনশৃঙ্খলা: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মতিঝিল ও দিলকুশা এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
- যানজট: বিক্ষোভের ফলে শাপলা চত্বর থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যন্ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
তদন্ত ও প্রেক্ষাপট
তদন্ত অনুযায়ী, ব্যাংক রেজল্যুশন অ্যাক্ট ২০২৬ পাস হওয়ার পর একীভূত হওয়া ব্যাংকগুলোর আগের মালিকদের ফিরে আসার আইনি পথ সুগম হয়েছে। আন্দোলনকারীরা এই আইনের সুবিধা নিয়েই এখন রাজপথে সোচ্চার। তবে সাধারণ গ্রাহকদের একাংশ এই আন্দোলনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
সতর্কবার্তা: মতিঝিল এলাকায় যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষকে বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদক: স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ সূত্র: সরেজমিন প্রতিবেদন ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন
