ঢাকা: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ৫১৯.২৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। যা গত অর্থবছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নির্দেশ করে।
অর্থনীতির মূল সূচক
- নামinal জিডিপি (২০২৬): $৫১৯.২৯ বিলিয়ন
- পিপিপি ভিত্তিক জিডিপি (২০২৬): $১.৯ ট্রিলিয়ন
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি (২০২৬): ৪.৯%
- মাথাপিছু আয় (২০২৬): $২,৯৬০
- জিডিপি (২০২৪): $৪৫০.১২ বিলিয়ন
"বাংলাদেশের অর্থনীতি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও স্থিতিশীল রয়েছে। রপ্তানি ও রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।"
- বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন
সেক্টরভিত্তিক অবদান
বাংলাদেশের জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান নিম্নরূপ:
- শিল্প খাত: ৩৫.১% (পোশাক শিল্প প্রধান)
- সেবা খাত: ৫১.৩% (আইটি ও টেলিকম খাত দ্রুত বর্ধনশীল)
- কৃষি খাত: ১৩.৬% (খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ)
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি (২০২১-২০২৬)
| বছর | জিডিপি (বিলিয়ন $) | প্রবৃদ্ধির হার |
|---|---|---|
| ২০২১ | $৪১৬.২ | ৬.৯% |
| ২০২২ | $৪৬০.১ | ৭.১% |
| ২০২৩ | $৪৩৭.৪ | ৫.৮% |
| ২০২৪ | $৪৫০.১ | ৪.২% |
| ২০২৫ | $৪৮৫.০ | ৪.৫% |
| ২০২৬ | $৫১৯.৩ | ৪.৯% |
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এর পূর্বাভাস: ২০২৭ সালে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৭% এবং ২০২৮ সালে ৫.২% এ পৌঁছতে পারে।
চ্যালেঞ্জ ও করণীয়
অর্থনীতিবিদদের মতে, বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে:
- মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা
- রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্যকরণ
- ব্যাংক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা
- ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি
- তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি
সূত্র: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)
প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ | লেখক: অর্থনীতি প্রতিবেদক
